বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা তলানিতে

জনপদ ডেস্কঃ বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরগুলোর নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)। এই তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান হয়েছে নিচের দিক থেকে চার নম্বর।

২০২১ সালের এই তালিকার ১৪০টি দেশের মধ্যে ঢাকার অবস্থান হয়েছে ১৩৭তম। তালিকায় ঢাকার নিচে রয়েছে পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোরেসবি, নাইজেরিয়ার লেগোস এবং সিরিয়ার দামেস্ক।

এ বছর ভিয়েনাকে সরিয়ে বাসযোগ্য শহরের শীর্ষ স্থান করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড শহর। তালিকায় শীর্ষ দশ থেকেই ছিটকে গেছে ভিয়েনা। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের শহরগুলোই এবারের তালিকায় এগিয়ে আছে।

বসবাসযোগ্য শীর্ষ ১০ শহরের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের দুটি, জাপানের দুটি, অস্ট্রেলিয়ার চারটি ও সুইজারল্যান্ডের চারটি শহর রয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে জাপানের ওসাকা ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডেলাইড।

তালিকার চতুর্থ অবস্থান রয়েছে নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটন শহর ও জাপানের টোকিও। ষষ্ঠ অবস্থানে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ। সপ্তম, অস্টম, নবম ও দশম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ, জেনেভা এবং অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ও ব্রিসবেন।

বসবাসের যোগ্য শহর বিবেচনায় পাঁচটি বিষয় আমলে নেওয়া হয়েছিল। এগুলো হলো: স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো। মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে এই বিশ্লেষণ করা হয়।

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের জরিপ অনুযায়ী, বসবাসের জন্য সবচেয়ে আদর্শ শহর হলো নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড। এরপরে রয়েছে জাপানের ওসাকা, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড, নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটন এবং জাপানের টোকিও।

বসবাসের যোগ্য শহর বিবেচনায় পাঁচটি বিষয় আমলে নেওয়া হয়েছিল। এগুলো হলো: স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো। মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে এই বিশ্লেষণ করা হয়।

৩৩.৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৪০টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৩৭তম, অর্থাৎ বসবাস অযোগ্য শহরের মধ্যে ঢাকার স্থান চতুর্থ। গতবছর ৩৯.২ পয়েন্ট পেয়ে এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৮তম। এ ছাড়া ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ঢাকার অবস্থান ছিল ১৩৯ ও ১৩৮তম।
কোভিড-১৯ মহামারির কারণে এবারের তালিকায় বেশ বড়সড় পরিবর্তনও এসেছে। মহামারি সৃষ্ট লকডাউন ও স্বাস্থ্য সংকটের কারণেই মূলত র‌্যাংকিংয়ে সাধারণ সময়ের চেয়ে পরিবর্তন এসেছে। এর আগে বাসযোগ্য শহরের শীর্ষ স্থানে থাকা শহরগুলোও ছিটকে গেছে।
ইআইইউ বলছে, মহামারির কারণে সারা বিশ্বেই বাসযোগ্যতার হার আগের তুলনায় অন্তত সাত শতাংশ অবনতি হয়েছে। যেসব দেশ কড়াকড়িভাবে সীমান্ত বন্ধ করে স্বাস্থ্য সংকট সামলাতে পেরেছে এবং টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে পেরেছে, সেসব কাজ তালিকায় তাদের অবস্থান নির্ধারণে বিশেষ প্রভাব রেখেছে।
সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট, হিন্দুস্থান টাইমস