নিখিলের বিষয়ে মুখ খুলেছেন নুসরাত

জনপদ ডেস্ক: ব্যবসায়ী নিখিল জৈনকে বিয়ে করেছিলেন টলিউড অভিনেত্রী ও সাংসদ নুসরাত জাহান। তুরস্কের বোদরুম শহরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছিলেন তারা। করোনাকালে হঠাৎ তাদের সংসারে বিচ্ছেদের সুর উঠে। স্বামীর আলিপুরের অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে নিজের বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে চলে যান নুসরাত। তারপর এ জুটিকে নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

পাশাপাশি শোনা যায়- নায়ক যশের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে নুসরাতের। যদিও এ বিষয়ে মুখ খুলেননি নুসরাত। তবে সম্প্রতি মা হওয়ার গুঞ্জন এবং নিখিলের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে এক বিবৃতি পাঠিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন নিজের অবস্থানে।

সময় নিউজের হাতে এসেছে নুসরাতের পাঠানো সেই বিবৃতিটি। তাতে নিখিলের সঙ্গে বিয়ে অস্বীকার করেছেন নুসরাত। লিখেছেন, আইনগতভাবে তাদের বিয়ে হয়নি। হিন্দু-মুসলিম বিবাহের ক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইনে করা হয়। কিন্তু তাদের বিয়েতে এটি মানা হয়নি। ফলে এটি বিয়ে না, আর বিচ্ছেদের প্রশ্নই আসে না। আর তুরস্কের বিবাহ আইন অনুযায়ী এ অনুষ্ঠান অবৈধ।

বিবৃতির দুই নম্বর পয়েন্টে নুসরাত উল্লেখ করেন, ব্যবসা বা অবসরের উদ্দেশ্যে কোথাও ভ্রমণ করলে কারো মাথাব্যথার কারণ হওয়া উচিত না, যার সঙ্গে আমি আলাদা থাকছি। আমার সমস্ত ব্যয় নিজেই বহন করছি, এখানে কারো অভিযোগের সুযোগ নেই।

নুসরাত জানান, নিখিল বলছেন নুসরাতের বোনের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছেন তিননি। নিখিলের টাকায় এখনো অধিকার বসাচ্ছেন নুসরাত- এসব কিছু মিথ্যা। বিবৃতিতে নুসরাত আরও জানান, তার বোনের পড়াশোনা এবং পরিবারের দেখাশোনার দায়িত্ব শুরু থেকেই তার। এ জন্য কারো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের দরকার পড়ে না। তার কাছে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও অন্যান্য প্রমাণ আছে।

অভিযোগ করে নুসরাত লেখেন, পারিবারিক গহনা ও অন্যান্য সম্পদের মতো তার জিনিসপত্রও অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে। নুসরাতের অজান্তে তার বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অবৈধভাবে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। নুসরাতের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এবং নিজের কেনা গহনা ফেরত দেয়নি নিখিলের পরিবার।

সবশেষ নুসরাত লিখেছেন, এই সম্পর্ক থেকে অনেক দিন আগেই তিনি বেরিয়ে এসেছেন। ব্যক্তিগত জীবন মানুষের সামনে আনতে চান না তিনি। নুসরাত চুপ ছিলেন বলেই একজন সাধারণ মানুষ নিজেকে হিরো প্রমাণের চেষ্টা করছেন।