এখানে কি করোনা নাই!

লাইফস্টাইল ডেস্ক: করোনা রয়েছে, কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকটাই কমে গেছে সচেতনতা। একটা রেস্টুরেন্ট খোলা হলো, তো সবাই গিয়ে হাজির।

যেন সেখানে হাজার লোকের মাঝে কারো থেকেই করোনা ছড়াবে না। রাস্তায়, শপিংমলে-বাজারে একই চিত্র। সুরক্ষার কোনো বালাই নাই, কারো মুখে মাস্কও দেখা যায় না বললেই চলে।
অন্য লোকে কি করছে, সেই চিন্তা পেছনে ফেলে, নিজে সচেতন হোন। মহামারি করোনা থেকে নিরাপদে থাকতে কোন মাস্ক ব্যবহারে সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়া যাবে এটা জেনে নিন।

মহামারি করোনার ভাইরাসের মোকাবিলা করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন একটি ভালো মাস্ক। যে মাস্ক ব্যবহার করলে, বাইরের জীবাণু আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা মিলবে N 95 মাস্ক থেকে। তবে নকল মাস্কও বের হয়েছে বলে অনেকেই অভিযোগ করছেন। অনলাইন থেকে নিলে N 95 মাস্ক কেনার সময় নিশ্চিত হয়ে নিন। এই মাস্ক বার বার ব্যবহার করা যায়।

এছাড়া বাড়ির তৈরি কাপড়ের মাস্ক ঠেকাবে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সংক্রমণ। কাপড়ের মাস্ক জীবাণুমুক্ত করে বার বার ব্যবহার করবেন। বাড়ি ফিরে দড়ি, ফিতে বা রাবার ব্যান্ডের অংশ ধরে মাস্ক খুলুন। মাস্কে সরাসরি হাত দেবেন না। এবার সাবান পানিতে ভিজিয়ে ধুয়ে নিন। সম্ভব হলে রোদে শুকাতে দিন, শুকিয়ে যাওয়ার পর ইস্ত্রি করুন। তাতে মাস্ক জীবাণুমুক্ত হবে।

সার্জিকাল মাস্কের ক্ষমতা তার চেয়েও অনেকটাই বেশি। চাইলে সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো একবার ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হয়।

আরও ভালো হয় যদি দু’টি মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে একটি সার্জিকাল ও অন্যটি কাপড়ের মাস্ক হলেই আমরা সুরক্ষিত থাকতে পারি।

বৃষ্টির দিনে বাইরে বেরনোর সময় দু’টি মাস্ক পলিথিনের প্যাকেটে সঙ্গে রাখুন। একটি কোনো কারণে ভিজে গেলে বা নষ্ট হলে অন্যটি কাজে দেবে।