চা শিল্প নিয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা

জনপদ ডেস্কঃ প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী শিল্প চা। স্বাধীনতার পর চা চাষে জমির পরিমাণের সঙ্গে বেড়েছে উৎপাদনও। আগামীতে চা শিল্প নিয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রথম জাতীয় চা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৪ জুন) বাংলাদেশ চা বোর্ড আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব বলেন।

পুরনো শিল্প হলেও নতুন উদ্যোমেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশের চা শিল্প। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল ছাপিয়ে এর চাষাবাদ ছড়িয়েছে দেশের উত্তরাঞ্চলেও। বাড়ছে উৎপাদন, স্বাবলম্বী হচ্ছে স্থানীয় চাষীরা।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০০৯ সালে দেশে চা চাষের এলাকা ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২ একর। যা ২০২০ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার একরে। একই সময়ে চা উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি কেজি। যা এক যুগের ব্যবধানে ২০২০ সালে উৎপাদন বেড়ে হয়েছে ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজিতে। সব শেষ ২০২০ সালে চা উৎপাদন হয়েছে এক হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার।

বেলুন উড়িয়ে প্রথম জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, দেশে চা শিল্পের সাফল্যের পেছনে রয়েছে সরকারের দুরদর্শী চিন্তার বাস্তবায়ন। একটা সময় আমরা ১১ মিলিয়ন চা এক্সপোর্ট করতে পারব

অনুষ্ঠানে সব অঞ্চলে চাষযোগ্য এমন দুটি ক্লোন জাত বিটি-২২ ও বিটি -২৩ জাতের চারা অবমুক্ত করা হয় ও ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেন অতিথিরা। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে, চা গবেষণা ইনস্টিটিটিউটকে আরও শক্তিশালী করার পরামর্শ দেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী।

চা শিল্পের উন্নয়নে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামীতে দেশের পাহাড়ি এলাকায় চায়ের চাষাবাদ আরও সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানায় বাংলাদেশ চা বোর্ড।