চায়ের দুটি ক্লোন জাত অবমুক্ত

জনপদ ডেস্কঃ চা উৎপাদন বাড়লেও অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় রপ্তানি বাড়ানো রপ্তানিকারকদের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। জীবনব্যবস্থা ও অর্থনৈতিকভাবে মানুষ স্বাবলম্বী হওয়ায় চায়ের দেশিও ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (৪ জুন) ২০২১ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রথম জাতীয় চা দিবসের আলোচনাসভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিটি-২২ ও বিটি-২৩ ক্লোন দুটি জাতের চারা অবমুক্ত করা হয় ও ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান খান, চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল জহিরুল ইসলামসহ চা বোর্ড ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেন, সরকার চা শিল্পসংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের জন্য অনেক কিছু করেছে। আরও কিছু করতে হবে। এ সময় বিটিআরআইকে আরও সমৃদ্ধকরণ ও পরিচালন সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, ১৬৫ বছরে করোনার মধ্যেও রেকর্ড পরিমাণ চা রপ্তানি হয়েছে, যা বিগত বছরের তুলনায় তিন গুণ। চা শিল্পের উন্নয়নে সরকার স্বল্প,  মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন চেয়ারম্যান এম শাহ আলম বলেন, বর্তমানে চা উত্তরবঙ্গে উৎপাদন শুরু হয়েছে। পাহাড়ি এলাকাতেও চাষাবাদের উদ্যোগ চলছে। তিনি বলেন, চা ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা ঋণ থেকে স্বল্প সুদে ঋণ দিতে হবে। এ ছাড়া চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের সহায়তা প্রয়োজন।